Showing posts with label একক কাব্যকথা. Show all posts
Showing posts with label একক কাব্যকথা. Show all posts

01 December 2015

নাজনীন খলিল




আয়না-
আয়নাই তোমাকে পরিচিত করে তোমার মুখের রেখাগুলোর সাথে অথবা জাগিয়ে তুলে সুপ্ত নার্সিসিজম, নির্ভর করে তুমি কিভাবে ব্যাবহার করছো তোমার নিজস্ব দর্পণটাকে। তবে তুমি যা নও তা দেখতে চেয়োনা।ঠকে যাবে। তোমার বুঝতে হবে, নার্সিসিজমেরও একটা সীমা আছে।
বরং তোমার প্রতিবিম্বটাকে রেখে দাও পাখির চোখের ভেতরে
।
কানামাছি খেলায় তোমার চোখে বাঁধা রূমালটা প্রজাপতি হয়ে গেলে, হারজিতের কথা মনে থাকেনা। সামনে তখন কেবল কতগুলো রং অথবা মিলিত বর্ণচ্ছটার রংধনু। রংগুলো আলাদা করে ফেলো। তুমি তো জানো না কোনটা আসল রঙ। খুঁজে নাও।
কিন্তু মুছে ফেলোনা ডানার পরাগ। সব রংয়ের উৎস তো এটাই।
আয়নার কাচে যখন বিম্বিত হবে রংগুলো তখন দেখবে সব বর্ণ সমন্বয়েই ফোটে ওঠে-শুভ্র শূন্যতা।

চৈতী আহমেদ






ম্যাচবাক্সে ঠাসা বারুদকাঠি
সেখানে আমার জায়গা হয় না,
তবু নিজেকে লুকিয়ে রাখবার জন্য
আামার একটা ম্যাচবাক্সই দরকার,
আমি হলাম পেটচুক্তির দাসানুদাস,
হলে কি হবে? পীঠের উপর কুঁজের মতো
যখন তখন বেরিয়ে পড়ে বারুদ স্বভাব!
শ্যাষকালে আইল্যার আগুনে মালিকপক্ষ
পুড়ি মইলে তুই কোন্ঠে যাবু এ্যালা?
ছইলপইলক নিয়া না খাইয়া থাকা নাইগবে।

বিপ্লব ধুইয়া তোমরা পানি খাও না ক্যানে?
নাল পানি লীন পানি...ভোক নাগিলে হামার তো
ফকফকা ভাতই খাওয়া নাগে, আগুন হওয়া
হামাক মানায় না, কুঁজ নুকাইবার নাগি হামার
একটা ম্যাচবাসকোই দরকার!


রিয়া চক্রবর্তী




গত তিরিশ বছর ধরে কিছু
ছবি ছিলো মনের অ্যালবামে,
জলরঙের-তেলরঙের-
কিছু শুধুই পেনসিল স্কেচ।
জলরঙের ছবিগুলো রোদ্দুর
না পেয়ে বিবর্ণ,
 তেলরঙ গুলো পোকায় কেটেছে,
পেনসিল স্কেচ তো কবেই
ধুয়ে মুছে পঞ্চভূতে বিলীন।
আবারো কিছু নতুন ছবি
জমা হচ্ছে এই রিক্ত সময়ে,
অজান্তে মনের অ্যালবামে-ঘাস রঙের,
সেগুলো রয়েই যাচ্ছে অদ্ভুত-অটুট।
বিশ্বাসের লাল পাথরে গড়েছি
স্বপ্নের   সুখেরকেল্লা,
তার দেওয়াল ইস্পাত কঠিন,
আদরে-ভালবাসায় বোনা জলছাদ,
ভেতরে উজ্জ্বল সাতরং আলো
ঝলমল করছে সোহাগে।

জয়তী অধিকারী

































ক্ষতের প্রলেপ খুঁজে ফিরি দুয়ার থেকে দুয়ারে,
কোথাও অন্তত একটা দরজা তো আছে! একটা পরিবার?
একটা মন?
ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া দেহাবশেষ, শুকিয়ে যাওয়া রক্তের দাগ,
আর হাওয়ায় ভেসে বেড়ানো যন্ত্রণার রেশ...
হয়ত কোন একদিন ছাপ ফেলবে কোনও এক আজানের সুরে।
সেদিন বারুদের গন্ধ ছাপিয়ে ধূপের ধোঁয়ায় শুচিস্নান করবে পৃথিবী,
রাইফেলের নল থেকে ঝরবে ফুলের রাশি।
সারা বিশ্ব অনুসরণ করবে একটাই ধর্ম...মানবতা।

মোকসেদুল ইসলাম






রাত্রি নিবিড় হলে জনতার চোখ ঢুলুঢুলু
কাপালিক তন্ত্র, ডাকিনি বিদ্যা আর ছিনালি সময়
পরিত্যক্তঘোষনা করেদুপুরের মখমলেরোদ।

দেখ, পতনের বিছানায় সূর্যকরেরা ত্রিভ্রমন
মাটির শরীরে বসন্তের সুখ
ছাই চাপা আগুনে পুড়ছে প্রচলিত মুদ্রাদোষ।

তবুও সহজে মেলেনা সরল অংকের উত্তর
ভুলে ভরা যখন পাটিগণিতের প্রথম অধ্যায়
জীবনবোধের প্রলাপে পড়ে হারিয়ে ফেলি বংশ পরিচয়।