Showing posts with label কাব্যরুপ. Show all posts
Showing posts with label কাব্যরুপ. Show all posts

30 January 2016

দীপংকর চন্দ



হ্যালো তুমি কি আসছো আজ বিকেলে
একেবারে অর্থহীন অপ্রয়োজনীয় কথাগুলো পুনরুক্ত হচ্ছে বছরের পর বছর গ্রামোফোনের একঘেয়েমি এবং কবেকার সেই
ফাউন্টেইন পেন কি যেন নাম ও হ্যাঁ পার্কার কালি ফুরিয়েছে অথচ মায়া মায়া করে শেষ হচ্ছে জীবন কোন মানে হয় এসবের হ্যালো
তুমি কি আসছো আজ বিকেলে

শীত কিন্তু জেঁকে বসেছে বেশ এবং এটাই অদ্ভুত আমি এখনও বেঁচেবর্তে আছি খাচ্ছি দাচ্ছি দিব্যি এবং ঘুমিয়ে কাটাচ্ছি সেই আশ্চর্য
সময় যা কিনা একবার চলে গেলে ফেরে না আর হ্যালো
আমাদের গাড়িবারান্দার পশ্চিমে শিউলি গাছটার কথা মনে আছে অবাক ব্যাপার বৈশ্বায়নেও বদলায়নি তেমন আর মরিস মাইনর

আদ্যিকালের বদ্যি বুড়োর মতো দম ফুরিয়ে অতীতের আস্তাকুঁড়ে এখন হ্যালো শুনছো তুমি কি আসছো আজ বিকেলে হ্যালো

01 January 2016

মুনিরা চৌধুরী





১.
পুরনো বইয়ের পাতা উল্টে চোখে পড়লো
মমি হয়ে আছে কয়েকটা মাছি ও অচিন বৃক্ষের পাতা...
মমি হয়ে আছে পাতার স্পন্দন আর মাছির উড়াল

সাঁতার কাটি
নয়'শ বছরের পুরনো সমুদ্রে একা...

এ-কোন বিস্মৃতির জল কেবল ফেটে ফেটে যায়
এ-কোন কাহিনী গাঁথা- শবযাত্রী, সানাই আর ঘোড়ার ক্ষুরের শব্দ

স্বর্গের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে
চুম্বন শেষে কেন তারা ঠোঁটগুলো ছুঁড়ে দিলো নরকের দিকে!

দু'চোখ ঝাপসা হয়ে আসে
দু'চোখে জন্ম নেয় অজস্র রক্তের ডালপালা...

মেহেকানন্দা নদীতীরে অহ ঈশ্বর
কোনো এক কুয়াশাভোরে তুমি কি রক্তডুমুরের ডালগুলো কেটে দেবে!


২.
কে যেন রাস্তার পাশে মলিন চাঁদটাকে রেখে গেছে
চাঁদের গায়ে হোচট খেলাম
শুধু পা নয়, সমস্থ "আমি" ভেঙ্গে গেলে চাঁদের শরীর থেকে চাঁদনী ও আগুন বের হয়...
জন্ম হয় দাউ দাউ চিতার...
মহাআনন্দে পুড়তে থাকি পৃথিবীর প্রথম মানুষ

ওহে শ্রীমতি. ঠাকুর মা আমার
আমিও চিতা জ্বালানোর কৌশল শিখে গেছি।


৩.
আয়না হতে পিছলে পড়েছে মুখগুলো
আজ তোমার মুখের গভীরে দেখি ভেঙ্গে-যাওয়া সেই আয়নার দাগ।

বিবর্ণ থৈ থৈ
বিধবার শাদা থানের মতো চারদিক...
হে দিন, হে রাত্রি, হে বসন্ত, হেমন্ত মৌসুম
হে প্রজাপতির ডানা, পাখির পালক, হে বৃন্দাবনের সিঁদুর
কোথাও কোনো রঙ নেই
আমাদের মেহদীবাগান কালো কুয়াশার নীচে ঢাকা পড়ে আছে।
শুনেছি পাথরে মেহদীপাতা ঘষলে রঙের হলাহল বের হয়ে আসে
আমি আজ হৃৎপিণ্ডকে পাথর বানিয়ে নিয়েছি।


৪.
আজ এই শুক্লা দ্বাদশীর চাঁদ ফেটে গিয়ে
নীল-বর্ণ আলো ঝরছে
নরক প্রদেশে।

নরকের নয় দরজা খুলে বসে আছি আমি আর একটা অন্ধ হরিণী...

দু'চোখ ছিদ্র করে
গলিত চোখের রঙে চন্দ্রের পিঠে এঁকে দিয়েছি গাছের ছবি
এই গাছ স্বর্গের গাছ
এক একটা শিশু মৃত্যুর পর সেই গাছে একটা করে ফুল ফোটে

ওহ ইশ্বর
সময় হলে কি তুমি দেখে যাবে
সেই গাছে অনেক অনেক ফুল ফুটেছে

তুমি কি একবারও শুঁকে যাবে না হাস্নাহেনা অথবা মুনিরাহেনার গন্ধ!



৫.
চাঁদের শরীর থেকে বের হচ্ছে ধূয়া ও শিশির
দুই হাজার বছর আগেকার রাত ছাই হবে দুই হাজার পনেরো সালে

দু'চোখের অন্ধ ছায়া উড়ে যাচ্ছে অন্ধকারে
পাখিরা নৌকা চালায় বাতাসের নদে

নিঃশ্বাস ফেটে যাচ্ছে ধীরে গাছের, মানুষের
ফাটা-নিঃশ্বাসে তুমি কি একবারও আত্মহত্যা করতে আসবে না!


৬.
সময় পেরিয়ে যাচ্ছে ছিপছিপে এক মাতামুহুরী নদী
নদী পেরিয়ে যাচ্ছে সময়
হাতের নীলবর্ণ রেখায় এ-কার ছায়া দেখা যায়!

ছাদের উপর বৃষ্টির গুঞ্জণ থামছে না কিছুতেই
তানপুরার হৃৎপিণ্ডে আঙুল ফেটে গেলে বুজতে পারি না
এ-কান্না উচ্চাঙ্গসঙ্গীতে নাকি মাতামুহুরীর

ঘরের জানালা কিছুতেই বন্ধ হয় না
আমাদের জানালায় আটকে রয়েছে নদীর দরজা।

সুস্মিতা বসু সিং





























সবটুকুই তো তোমার কিছুই রাখিনি বাকি
মাঝে মাঝে নিজেকেই ফাঁকি দিই আজও...
যা পেলাম, একবার মিলিয়ে নিতে ইচ্ছে করে।
পাওনা ছিল কিনা-
সেটাও তো জানা দরকার দয়ার দানে বড় ভয়
করুণা কোরোনা কখনও আমায়, যোগ্যতা থাকে যদি বিন্দুমাত্র দিও সমানুপাতিক
অপ্রাসঙ্গিক মনে হোল বুঝি! জাফরিকাটা নকসা দেখে
গভীর জলোচ্ছ্বাস-প্রাসঙ্গিক নয় কি?
সবুজ পাহাড়ের ঠিক নীচটায় চারণ ভূমিতে
শুধু গাভী নয়-
গর্ভিনী মনও আতঙ্কে মরে তোমার শিখীচূড়ার নীল
আভাস বিষে বিষে গাঢ় অপরাজিতা রঙ
কাঠঠোকরার ঠকঠক ঠকঠক, বকবক বকবক…
ক্লান্তিতে দু’চোখ বুজে আসে
বর্ষার মেঘ একটুকরো পাঠিয়ে দিয়ো তো বহুতলের কার্নিশে…বারান্দা-বাগানে বিরহিণী রাধিকা…
এসো, এসো পুরুষোত্তম একটু স্কচ আর চিকেন
পপকর্ন… রাত্রি এখনও যুবতী, তবুও আমাকে এবার যেতেই হবে।
না না–সবুজ অন্ধকার নয়… ছাতিমের মাতাল গন্ধ
আর শান্তিনিকেতনের রাস্তায় পড়ে থাকা পাকা তাল...
সঙ্গে যদি আসতে চাও কোপাই-এর শুকনো খাদে পাশাপাশি শুয়ে থাকি চলো
জল এলে যাব না হয় ভেসেই...ততক্ষণ শুধুই অপেক্ষা অপেক্ষা অপেক্ষা…

রিক্তা চক্রবর্তী





স্বীকারোক্তি
রক্তক্লান্ত এ উদ্ধত সভ্যতায় অনন্তকাল মরা আর বাঁচা প্রতিবার পূজোয় বাড়ী ফেরার সময় জীবনের প্রতি এক অমোঘ টান অনুভব করি
সাময়িক অনভ্যস্ততায় অবচেতন জুড়ে নাগরিক সভ্যতার সাইড এফেক্ট খেলা করে
রক্ত আর গ্রেনেড কে সঙ্গী করে লিখতে বসি,
আরও এক অবচেতনে মোড়া কবিতা


ঘুম

জ্বলন্ত এই বাস্তব থেকে রেহাই চাই জানো কি, ঘুমটা কোথায় পাওয়া যায়? রাতের পর এই নিদ্রাহীন রাত ঘুমের ঠিকানাটা জানা আছে কি কারোর? পালাতে চাইছি নির্ঘুমের এই কারাগার থেকে আচ্ছা, ঘুমটা এখনও আসে না কেন? আমাকে যে ছিঁড়ে ফেলবে দয়াহীন জাগরণ তোমরা কেউ তো ঘুমকে বলো, আমায় নিয়ে যেতে পেঁজা তুলোর মত সাদা নরম বিছানায় মেঘ মেঘ শান্ত ভেজা ঘুম, কিছু আরামপ্রিয় স্বপ্ন স্বপ্নের রঙটা যেন হয় উজ্জ্বল সবুজ কালোটা আমি আকাশেই রেখে যেতে চাই প্রেম নয়,নাম হয়,যশ নয়, আজ শুধু ঘুম চাই কুয়াশামাখা আচ্ছন্নতায় সে ঠোঁট ছোঁয়াক কপালে তার সাথে গল্প করতেই আমি চলে যেতে চাই নিশ্চিন্তিনগরে, দুঃস্বপ্নরা কারাগারে বন্দী যেখানে ছোট্টবেলার ঘুমপরীর হাত পৌঁছায় না আর কপালে ঘুমপাড়ানি গানগুলো আজ সুরতাল সব ভুলেছে নিদ্রাও আজ ভুলেছে আমায়, একলা এই ধূসর পথে বিশ্রামের একটু ঘুম চাই, কেউ যদি এনে দিতে পারে রূপকথার সেই মরণকাঠির ছোঁয়াটা কোথায় পাবো, বলতে পারো? আজকে তুমি যদি না আসো কষ্ট গুনতে পাগল আমি পথে নেমে চিৎকার করব ঘুম, বলোতো অনন্ত এত অল্প কেন?

ফারহানা সুমি




বড় আশা করে এসেছি এই বেলা ঠোঁটে নিয়ে সখা,
করেছি বিয়োগ দখিনা চোখের বৈঠা উঠোন।
ভুলেছি মুখস্থ ফুলের ঘ্রাণে জমাট বাঁধা কত কথা...
যা বেঁধেছিল পথচারী শত ঠোঁটের দল ছবিরা।
পেতেছি পিঠ কত যুবকের ঘরদোরে বুকে নিতে তোমার
শুভ্র খোলা মাঠ বড় আশা করে সখা,
এসেছি দ্বারে দিতে অধিকারের স্বপ্ন ঝিনুক বিছিয়ে দেখো নিঝুম অবসর আমার হাতে তোমার হাত
তোমার নামে আমার নিঃশ্বাসের তৃণলতা
বেড়ে উঠুক মূহুর্তের জমা কবিতায় তোমার চোখে আমার চোখের বাহানা।
অন্যসব ধূলো হয়ে পড়ে থাক পেছনে ফেলা ছেঁড়া কাগজের মত সখা ভেবো না নিন্দুকেরা কিছু বললো কিনা,ভেবো না অভিশাপের মন্ত্র যপে ফুলের বিছানায় বিষণ্নতা আঁকল কিনা প্রজাপতিরা। পারলে চেয়ে নিও ক্ষমা যে ঠোঁট থেকে নিয়েছো সুখের বিলাসীতা।

যে চোখ থেকে ধার করেছো সরল বিকেলের কথা।
রাতদুপুরে যার কণ্ঠস্বরে দখল নিয়ে শুনতে চেয়েছো জয়ত্রী শুধু একবার...
বুকে হাত রেখে-
কমল তুলি মেখে নিঃশ্বাসে...আরো একটু কাছে এসে কানের গুহায়,ঠোঁট রেখে বলো...
হেমন্তের মায়াময় নিঝুম পত্র ছুঁয়ে যে বলেছিল - ভীষণ ভালোবাসি আমার ডুমুরের ডুবডুবি।
শুয়ে থাকা স্বপ্নের হলুদ চঞ্চলতাও সাক্ষী ছিল আবিষ্কার করেছো তার নিঃশ্বাসের বসত ভিটে।
চুলের ঘ্রাণে শুঁকেছো বর্ষাকাল,
কালোর খেলায় মেতেছো চোখের চঞ্চু ভরে মেঘ গুজনে আর তনুশ্রীর...
যদি ভুলে থাকো সখা তার দেয়া শরৎ অবেলার-শত স্বাধীনতা.....উড়িয়েছো যা ঝরাপাতার বুক পকেট ভরে...
তবে ক্ষমা চেয়ে ফিরে এসো শেষ নমস্কারে, তারপর ডাকনাম.... উপহার দেবো তোমায়
নেবো বিশ্বাসের দখল বড় আশা করে...

নীল সাধু




এই আষাঢ়েই আসিস তুই!
এই আষাঢ়েই আসিস তুই! বৃষ্টিতে ভিজবো!
আদর জলের গা ভেজানো নদীটি
দু হাত দিয়ে ছোঁব!
কদম কদম গন্ধ বুকে
এই আষাঢ়েই
বৃষ্টি মেখে দেবো!


বনজারুলের সাথে রোদের মাখামাখি!
বনজারুলের সাথে রোদের মাখামাখি! বঁইচির ঝোপ ছাড়িয়ে
এলোমেলো বাতাসে
ধুলোদের সাথে হেটে চলে ঘাসফড়িঙ র দল!

মদির হাওয়ায়
অর্জুন পলাশ শিমুলের নরম ছায়ায়
শালিকের খয়েরী ডানায় বিকেল নামে!

গহীন অশ্বত্থ
হলুদ কমলা বুনোলতা
রঙ্গিন পালের নৌকা
প্রান্তরের নিস্তব্ধতা ডাকে আমায়!

মেঘনার ঢেউর মতন স্ফীত স্তন!
দ্রোণ ফুলের মালাটি রাতের শরীরে জোছনা হয়ে মিশে যায়!



কূর্চি এবং শিশিরের গল্প...
... বুনো শালিকেরা ফিরে আসে না কোনদিন!
পৃথু ভাবে কোন এক সকালে রোদ উঠার সাথে সাথে সে বুনো শালিক হয়ে যাবে; দুটি পাখা
একটি ঝুটিতে
আমূল বদলে নেবে নিজেকে!
একলা একলা জলডুবি বিলে উড়ে উড়ে
শেষ বিকেলে মিলিয়ে যাবে নৈঃশব্দে!

কূর্চির আছে এক আকাশ জল
তবু শিশিরস্নাত ভোর প্রতিদিন তাকে নতুন করে কাঁদায়!

... একলা শিশির

শীত হেমন্তে ফোটা ফোটা হয়ে ঝরে যায় অযুত নিযুত লক্ষ বছর ...

মশিউর রহমান




এমন করে কেউ বলেনি ভালোবাসি!
কেউ বলেনি
হৃদয়জুড়ে তোমারই বাস দিবানিশি।

এমন করে কেউ ছোঁয়নি
ঠোঁটের আদর!
কেউ ছোঁয়নি
রাত দুপুরের উষ্ণ শরীর
অথবা ঐ ক্লান্ত ভোর।

এমন করে কেউ দেখেনি
দু’চোখ ভরে!
কেউ দেখেনি
ভালোবাসার নিঃশ্বাসেও হৃদয় পুড়ে।

এমন করে কেউ ধরেনি
হাতের আঙ্গুল!
কেউ ধরেনি
জাপটে বুকে শুধরে নিয়ে সবটুকু ভুল।

এমন করে কেউ বলেনি ভালোবাসি! ভালোবাসি!


মোজাদ্দেদ আল ফেসানী জাদিদ


আমার কোন পাখা ছিল না, কোন পাখি আমাকে দেখায় নি তার প্রিয় আকাশ,
আমার শুধু ছিল তোমার ঐ সবুজ শাড়ির হলুদ আঁচল আর একমুঠো বিকেল;
সেই বিকেলে আমি খুব উড়েছি, অবশেষে ডানা মেলে ক্লান্ত হয়ে ফিরেছি নীড়ে।

আমাকে কবি না হয়েও লিখতে হয়েছে হাজারো প্রেমের কবিতা,
আমার ছন্দহীন সকল কাব্যের অন্তর্নিহিতে লুকিয়ে আছো তুমি;
হয়ত ছন্দে অথবা অন্তমিলে অথচ আমি আবৃতি জানি না।

আমি পরিব্রাজক না হয়েও হেঁটে পার করেছি গন্তব্যহীন কত দূরত্ব,
তোমার এই দুরত্ব আমাকে ক্লান্ত করে দেয়, অথচ আমি জানি,
তোমার খোঁজে চলে গেছে পৃথিবীর গন্তব্যহীন সকল পথ।
আমি তো নিঃস্ব ছিলাম না, আমার অন্তত একটা হৃদয় ছিল।

নিভৃতচারী





ইচ্ছে সত্বেও অনেক কিছুই হয় না
যখন অনিচ্ছে সত্বেও বহুকিছু হয়
হতে হয়— তখন আক্ষেপ আহা
‘ইচ্ছে থাকা সত্বেও কত কী হলো না’

আমি বলি কী— যাক
এই দীর্ঘশ্বাস দীর্ঘজীবী হোক
এই আক্ষেপটুকু বেঁচে থাক

কত কিছুই তো হয় না হলো না
তাই বলে তো আর ইচ্ছে গেল না যদিও
কিছু ইচ্ছের অকাল মৃত্যু
কিছু ইচ্ছের গলা টিপে ধরে
শ্বাসরোধ করে বাকরোধ করে ঠেকায়
ভুলিয়ে দেয় ইচ্ছেকে ইচ্ছের জন্মকথা

তবু অ্যাত্তোসব নিয়ন্ত্রণের ফোঁকড় গলেও
জন্ম নেয়া কিছু দূর্লভ ইচ্ছে
হতাশ্বাস হয়ে হাহাকার তোলে যখন

বেঁচে আছি— খুব মনে হয় তখন …