Showing posts with label মুহিম মনির. Show all posts
Showing posts with label মুহিম মনির. Show all posts

01 August 2018

নিমগ্ন আলোচনা: ধ্বনিত প্রতিধ্বনির সুর —মুহিম মনির



“তোমাদের দুয়ারে আজ হৈমন্তিক সকাল
নতুন ফসলের গন্ধে-গানে ভরপুর প্রাণ।
আগুনের শিখায় পুড়েছে আমার বাড়িঘর,
শীর্ণ কাপড়-জামা, অনাহারি বাসনকোসন;
শুধু রয়ে গেছে ছায়াসঙ্গী এই বেহায়া জীবন,
দুচোখের জল আর অনিঃশেষ কান্নাকাল!”

মানবতার অবমাননায় অনিঃশেষ হয়ে ওঠে কান্নাকাল; তবু কমে না অসহায় মানুষের আর্তনাদ। শোষণের প্রতিযোগিতা শুরু করে শোষকশ্রেণী। ব্যথিত কবির কলমে তাই লেখা হয়—

"হয়তোবা বেঁচে আছি দেখতে মানবতার স্খলন
আর আমি প্রজা বাকি সব সামন্ত মহাজন।"

21 December 2017

কৃষ্ণানন্দ অথবা অ-পুষ্পিত কৃষ্ণচূড়া-মুহিম মনির


কৃষ্ণানন্দ
নাজমা আলী
প্রকাশক: চৈতন্য  প্রকাশনী
প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি, ১৭ খ্রি.
প্রচ্ছদ: কাজী যুবাইর মাহমুদ
পৃষ্ঠা: ৮০
মুদ্রিত মূল্য: ১৫০ টাকা।

'হঠাৎ করেই রাত বেড়ে যায়। কখন যে সন্ধ্যা ঘনিয়েছিল রাতকে স্বাগত জানানোর জন্যে আর এখন রাত কত হবে--ভেবেই পাচ্ছে না।' কে ভেবে পাচ্ছে না? 'কে এই মেয়ে? এতো শান্ত, এতো শুভ্র, এতো পুণ্যে পরিপূর্ণ!'— মেয়েটি হচ্ছে রামী। রামীরা সুলতানা'। নাজমা আলীর কৃষ্ণানন্দ'র কেন্দ্রীয় চরিত্র সে। ঘনায়মান রাতের আঁধারে আধাপাকা 'রাস্তা দিয়ে হাঁটছে রামী। রাস্তায় ছোটো ছোটো গর্তের মাঝে জমে আছে বৈশাখের বৃষ্টির জল। ওর রাঙা চরণ দুটো গর্তের মাঝে ডুবে যায় মাঝেমধ্যে, আর তখনি গর্তে জমে থাকা জল পায়ের আঘাতে ছিটকে পড়ে ওর শরীরের হাতে, মুখে, নীল শাড়িতেও।' মানে নীল শাড়ি পরেছে রামী। রাধা বেশে হয়তো কৃষ্ণের অভিসারে গিয়েছিল। কিন্তু সত্যিই গিয়েছিল কি না, তা আমরা জানতে পারি না। শুধু জানতে পারি: 'রামীর মস্তিষ্কটা সভ্য জগতে ফিরে আসে, ও ভদ্র ছিলো কিনা!'