Showing posts with label নৈরিৎ ইমু. Show all posts
Showing posts with label নৈরিৎ ইমু. Show all posts

01 January 2016

নৈরিৎ ইমু




বিরল সারথী
অন্তহীন ঘোর হতে আনি তুলে হিরণ্যদেহ
স্থূল অন্তরে, মনে হয় কুমুদবান্ধব- আরোপিত মুখ
সংশ্রব- অনঙ্গ ফেনারাশি, অপূর্ণ ওঁকারে ধীরে ধীরে
লীন করি ধূপিত জগৎ
নরকের ভৃত্য কে জানে কখন এসে কারে
করেছে দান- অপাত্রে, অকৃত্রিম রাশি যার বৃষ

ক্ষয়িঞ্চু স্পর্শ পাশে কাটে রক্তবর্ণ দিন
সবিশেষ ঘূর্ণিকায় ক্রমশ ধৃতিহারা ক্রোধ
তবুও তরানোর মোহ- হরিৎ স্বস্তি বন
নিজেরই প্রোথিত ক্ষীণ অনলের তরু, হাওয়া গান

ধাবমান পরভৃতে ছুঁড়ে পুরুষ বাণ
এই পর্যায়ে ধরাশায়ী নিজের ব্রহ্মা প্রাণ
সর্বক্ষণ ভীতু থাকে চন্দ্রাতপ পিপীলিকায়।





ঘুম ও ঘাতক
১.
তমশার কাছে গিয়ে ধরা দাও
অনন্ত পাথারে— বালিঘড়ি মেপে
নেমে পড়ো শ্মশানের কাছাকাছি
কোথাও ডালিম বনে, তমোহরে—
যেনো গালিবের সুরাঘন ঘুমে
হেসে ওঠে ছায়া, চাঁদ সদাগর।
উলঙ্গ রাম-দা হাতে তাড়া করে
সেকি যমদূত, নাকি পূর্ব জনম?
তার কাছ থেকে প্রাণ নিয়ে ফিরো
এই পলায়ন দৃশ্য স্থির চিত্র
না-পেরোয় একচুল, তবুও দৌঁড়
বেগহীন সুপ্রাচীন পা যুগল
বোবা ও বধির— রক্ষাকর্তাহীন
আর কপালের ঘাম, রাশি রাশি
সাদা সাদা তুলো— ধেয়ে আসে ক্রমে
উলঙ্গ রাম-দা হাতে জল্লাদ এক।


২.
আমিও ঘুমাই ঘাতকের পাশে গিয়ে
পাথুরে দেয়াল আমাদের ঘুম দেখে
কঙ্কালে জড়ায় আরো কিছু মাংস মতো;
আরো কিছু লাল এসে ভরে যায় হৃদ
ঘাতক চিনে-কী শ্বেতকরবীর কাল?
ছায়া-রোদ, সমবেত নতজানু গাছ—
গাছেদের ফাঁকে ফাঁকে আঁশটে গন্ধের
যে-শরীর ঘুরে ফিরে, কারুকৃতি তার?
কেবল ঘুমের দৃশ্যে আমি ও ঘাতক

অভিজ্ঞ আরেক ঘাতকের কাছে যাই।