Showing posts with label যুগল কবিতা. Show all posts
Showing posts with label যুগল কবিতা. Show all posts
11 May 2019
06 March 2018
যুগল কবিতা—রিকি দাশ
শব্দঝরা শ্রাবণ
শব্দসমুহের অশ্বমেধ যজ্ঞ চলে শরীরী
বৃন্দাবনে।যেন জেগে আছে শব্দঝরা শ্রাবণ অনন্তকাল ধরে ঘোরের, বিস্ময়ের
ঝুলবারান্দায়।পোষা গাছের মতন কান্ডে ঝুলতে থাকে অহম, আনন্দ, ক্রোধসমুহ। শব্দমোহের
তীব্র হাত যেন ডেকে আনে বহুদুর।বদলায় আকাশ,বদলে যায় শরীরঘ্রাণ। আলিঙ্গন করে শহর ও
সন্ধ্যার যত ফলাফল। নড়বড়ে দাঁত নিয়ে সিঁড়ির নিচে নামতে থাকে এক একটি পা!
বিমূর্ত নেশায় আগলে ধরে শব্দজ্বর।
শব্দদ্রোহের ভার নিয়ে বিষণ্ন এক
পারফিউমে চন্দন তিলকে কপাল চুইয়ে কাঠ পেন্সিলের দেহ ভস্ম হয়ে যায় শব্দঝরার
শ্রাবণে...
21 December 2017
25 October 2017
25 September 2017
আকিব শিকদার
চোখ ত্যাড়া
মহাত্মা
গান্ধী করেছিলেন তেরো বছর বয়সে, শেখ মুজিবকেও
আঠারোতে
বিয়ের পিঁড়িতে
বসতে
হয়। আর রবিঠাকুর...?
সে যুগের সবাই কমবেশি
মুকুল
ধরতে না ধরতেই বয়সী বকুল।
দাদারা
ভারি কাচের চশমায় পড়তেন সংবাদপত্র। কোথাও
ধর্ষণ
নেই, শব্দটা অভিধানে ছিল না নাকি...!
বউকে
কুপিয়ে তিনারা এতটাই
ঘেমে
যেতেন যে ধর্ষণ করার সুযোগই জোটেনি ঘর্মাক্ত কপালে।
22 August 2017
হীরামনি দাশ
বেওয়ারিশ উত্তর
গভীর নৈঃশব্দ হতে উত্থিত, এক অমোঘ কণ্ঠস্বর, বলে ওঠে "
তুমি কে? কে তুমি পথিক? "
নিজের চারণভূমিতে মগ্নতার কোলাহলে
হেঁটে চলেছে পথিক ;
ভীষণ চমকে থমকে দাঁড়ায়!
বুঝতে চেষ্টা করে, কে সে? কার স্বর? সেই বা কে?
মাতাল এক ঘূর্ণি হাওয়ায় পথিক বেওয়ারিশ হেঁটে যেতে
যেতে ভাবলো,
এই দুঃসহ অসময়ে কে তাকে ডাকবে?
না, কেউ তাকে ডাকবে না আর!
নির্বিঘ্ন নিশ্চয়তায় পথিক যেই
পা বাড়াল; আবার ভেসে এল সেই কন্ঠ......
"কই বললে না তো?"
ঘুরে দাঁড়ায় পথিক।
নিরীক্ষার পাঠ শেষে,
রাত্রির অনন্ত নিস্তব্ধতা কন্ঠে
ধারণ করে অবশেষে বলল,
"আমি? অসময়ের ভুল বিবেক! কোন এক শীতে যার শেষ কম্বলটাও পুড়িয়ে
দিয়েছিলে, উষ্ণতার জন্য।"
নিষাদ মজুমদার
প্রিয়মুখ
চেনা শহরে বড্ড অচেনা তুমি
খুব অচেনা স্বচ্ছল জীবন।
এই শহরের অলিগলির মত ষড়যন্ত্র নগরায়ন
আমরা সকলেই চিনি শহরকে
চিনি তোমাকে, তোমার গলি,
তোমার বাসার হোল্ডিং নাম্বার
শ্যাওলা ধরা দেওয়ালে লেখা নতুন কোন নাম
খুব চেনা লাগে অক্ষরগুলো
মুছে গিয়েও মুছছে না নতুন এপার্টমেন্টের দাগ,
ড্রেন ছুঁয়ে নোংরা প্রেম,ছলচাতুরীর প্রেম ।
চেনা শহরে বড্ড অচেনা তুমি
খুব অচেনা স্বচ্ছল জীবন।
এই শহরের অলিগলির মত ষড়যন্ত্র নগরায়ন
আমরা সকলেই চিনি শহরকে
চিনি তোমাকে, তোমার গলি,
তোমার বাসার হোল্ডিং নাম্বার
শ্যাওলা ধরা দেওয়ালে লেখা নতুন কোন নাম
খুব চেনা লাগে অক্ষরগুলো
মুছে গিয়েও মুছছে না নতুন এপার্টমেন্টের দাগ,
ড্রেন ছুঁয়ে নোংরা প্রেম,ছলচাতুরীর প্রেম ।
মুনিরা চৌধুরী
ছায়াচিত্র
১.
দূর শৈশবে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে
কাচের টুকরো কুড়িয়ে পেয়েছিলাম
কাচের ভেতরে নিজের চেহারা লুকিয়ে রেখেছিলাম।
নিজের চেহারা লুকিয়ে রেখেছিলাম বাবা-মা, ঠাকুর মা, চন্দ্র-সূর্য্য হতে বহুদূর
দূরতম কোনো গ্রহের গভীরে...
তিরিশটি বছর ঘুমঘোরে ছিলাম
ঘুম-ভেঙ্গে দেখি-
আমি সেই কাচের টুকরো হারিয়ে ফেলেছি
আমি আপন চেহারা হারিয়ে ফেলেছি।
21 May 2017
লাবণ্য প্রভা
পঙ্খীরাজ
ঘোড়ার ডানা ভেঙে গেছে। মুখ থুবড়ে পড়ে আছে রাক্ষসপুরীর সিংহদুয়ারের সামনে। আমার
মাথার ওপর কাঁটা, আর পায়ের নিচেও
কাঁটার গালিচা।কাঁটা মাথায় নিয়ে পায়ে দলে পথ অতিক্রম করি; আমি অতিক্রম করি পাপ, পরমাঙ্ক...
রাক্ষসপুরীর
চারদিকে জলের পরিখা। ব্যাঙমা-ব্যাঙমী বলেছিল, রাতের কোনো এক প্রহরে পরিখার জল শুকিয়ে যায়। আমি ও আমার ডানা ভাঙা পঙ্খীরাজ অপেক্ষা করি, যেন জল সরে যায়। নগ্ন পায়ে
ওই পরিখা পার হতে হবে আমায়।
হায়!
মা আমার
রাক্ষসপুরীর অলিন্দে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এক চন্দ্র
দুই চন্দ্র
তিন চন্দ্র
সহস্র
চন্দ্র বৎসর পার হয়ে যায় ... আমিও বেড়ে ওঠি রাক্ষসের উদরে। কেবলই বেড়ে উঠি,পালাবার পথ খুঁজে পাই না।
কোনো রাজপুত্র
আসে না আমার জন্য। ব্যাঙমা-ব্যাঙমী সারারাত অলৌকিক বৃক্ষের ডালে বসে কাঁদে। তাদের
ক্রন্দনে বৃক্ষের পাতা ঝড়ে পড়ে। ঝরা পাতারা সর্প হয়ে বাগানে নৃত্য করে। আমি রাক্ষসের
উদরে বসে থাকি, দাঁড়িয়ে থাকি...
16 May 2017
সৈয়দ শিশির
সময়গ্রস্ত
আবাসিক হোটেলে ভোরের
সূর্য দেখার অপেক্ষার পর-
সাময়িক প্রতিবেশীর খরিদানি
আর সুখের প্রলাপ শুনে
অবাক বিস্ময়ে নিজেকে
আবিষ্কার করি দালালের হাসিতে।
এভাবে নিজেকে আরও একবার
আবিষ্কার করেছিলাম-
প্রিয় বন্ধু খালেদের
দেওয়া ভুল ঠিকানায় সুইচ টিপে;
যে ঠিকানায় একই ফ্লোরে
বসবাস করে ফুল আর কীট।
কীটের উল্লাসে যেখানে
বিবর্ণ হয়েছিলাম ফুলজলে।
দালালের চোখে যেমন কমিশন
ছাড়া আর কিছুই ভাসে না-
তেমনি, কীটের নর্দমায়ও
সময়গ্রস্ত ফুল হাসে না।
14 May 2017
তুহেল আহমেদ
বেঁচে থাকুক নীল জল
অসীমের
শূন্যে বা শূন্যের অসীমে ,মিল্কিওয়ের প্রতিটি বালুকণায়
বা অখেয়ালের দেয়ালে, খসে যাওয়া রংয়ে ,
তীরহীন নদীর মোহনায় বা অবহেলার ভাঙা কাঁচের টুকরোয় ,
বেঁচে থাকুক তোর ঘৃণা,
তাচ্ছিল্য ভরা নিঃশ্বাসের রেশ...
বেঁচে থাকুক আজন্মলালিত ভালোবাসার আঁড়ালের কামুক লোভ , তোর ভালোবাসা …
তোর চোখ তোর মায়াময়ী কন্ঠস্বর , তার গান ,
বেঁচে থাকুক নীল জল…
ঘরের কোণে অবহেলিত মুচড়ানো কয়েক চিঠি ,
ধুলিমাখা ডায়েরীর পাতাগুলির ধুলো , বেঁচে থাকুক …
বেঁচে থাকুক বিকেলের রোদ,
পাহাড়ের সবুজ স্বপ্নের সেই ফোস্কা কুঁড়ানো, দৌড়ঝাপ ,
তোর ঘরের পর্দার ভাজে আটঁকে থাকা কত শত মজার গল্প ,
হাসা-হাসি দু' এক অশ্লীল কৌতুক …
বেঁচে থাকুক সন্ধ্যার বুক,
জোনাক পোকার পালকের ছোঁয়া বা
তাদের আলোর ভালোবাসা বিলানো শহর …
13 April 2017
11 April 2017
রুদ্র নীলিম
মোমের আলোয় আঁকা- ২০০৪
কি একটা
আঁকবো বলে সকালে তোর কফির কাপ কেড়ে নেয়া রোদ আর আমার
গোপন আঁতাত;তুই উড়ে গেলি ঘুড়ি হয়ে বিহানের কুয়াশা ফুঁড়ে; দারুণ গতি ছিল;
আকাশে চোখ চাওয়া কতদিন কতকাল জানা নেই
আমিও অপেক্ষার পাগলা রক ওয়েটিং এ ভাঙা এক চেয়ারে কাটিয়ে দিলাম
গণনা বিহীন কুয়াশা বয়স;বসন্ত আর শিমুল তুলো মাখা চঞ্চল চোখ চাওয়া
অথচ তুই বর্ষার ছাইভস্ম মেখে দাঁড়ালি বিকালি জানালায়। মাঠ ভর্তি বিদি ঘাস ঠায় দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখলো,চিনেছিলি সাঁঝের ঘরফিরতি রাখালেরে; হাতে আধহাত মাপের শাসনের মসৃণ লাঠি।
তুইও ফিরে গেলি
তুইও রেখে গেলি
তুইও মেখে গেলি নাগরিক প্রসাধনী;নীল রঙ মনে রাখা অবাধ্য আঁকিবুঁকি
গোপন আঁতাত;তুই উড়ে গেলি ঘুড়ি হয়ে বিহানের কুয়াশা ফুঁড়ে; দারুণ গতি ছিল;
আকাশে চোখ চাওয়া কতদিন কতকাল জানা নেই
আমিও অপেক্ষার পাগলা রক ওয়েটিং এ ভাঙা এক চেয়ারে কাটিয়ে দিলাম
গণনা বিহীন কুয়াশা বয়স;বসন্ত আর শিমুল তুলো মাখা চঞ্চল চোখ চাওয়া
অথচ তুই বর্ষার ছাইভস্ম মেখে দাঁড়ালি বিকালি জানালায়। মাঠ ভর্তি বিদি ঘাস ঠায় দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখলো,চিনেছিলি সাঁঝের ঘরফিরতি রাখালেরে; হাতে আধহাত মাপের শাসনের মসৃণ লাঠি।
তুইও ফিরে গেলি
তুইও রেখে গেলি
তুইও মেখে গেলি নাগরিক প্রসাধনী;নীল রঙ মনে রাখা অবাধ্য আঁকিবুঁকি
আমার
ক্যানভাস চুরি হয়ে গেলো যেটায় তোর ছাপে একটা অসমাপ্ত সুখের মানচিত্র আঁচড় লুকানো
ছিলো
09 April 2017
Subscribe to:
Posts (Atom)




















