Showing posts with label কবিতা. Show all posts
Showing posts with label কবিতা. Show all posts

11 May 2019

যুগল কবিতা —আকিব শিকদার



ভালোবাসা পেলে, না পেলে
ভালোবাসা পেলে সব আগুন হবে জল
মরা গাছে ফুটবে কমল।

শ্যাওলা ধরা প্রাচীরের ছায়ায় বসবো দু’জন
মৌমাছি হয়ে চুষে নেবো তোমার যৌবন
নিজেকে উজাড় করে বিলিয়ে দেবো যখন তখন।

যদি ভালোবাসা না পাই তবে
সোনার সিংহাসন কালান্তরে মাটিতে মিলাবে।

14 March 2019

সামছুন নাহার-গুচ্ছ কবিতা





     মুনিয়ার জীবন
একদিন একটা চড়ুই পাখি এসে বসল
আমার জানালায়...আমি চকিতে চাইলাম...
তারপর কি যেন হল...
চড়ুইরা আমার জানালায় আলো ফেলে রইল।

এরপর আমি এই চড়ুই পাখির কিচিরমিচির
আর শুনতে চাইলাম না...
এ-এক অভ্যাসের মত হয়ে গেল

নিত্যতার ভারে- পরিণতি সংসারের মত।

সমকালীন কবিতা- রিকি দাশ



রংধনু
ব্রহ্মাকন্যা সন্ধ্যার পূর্বাভাসে,
টগবগে গন্ধরাজ ফুটেছে আকাশে!

24 February 2019

গুচ্ছ কবিতা—স্নিগ্ধা বাউল



নিত্যপুরাণ
কিছু প্রসন্নরোদ বারান্দা ছুঁয়ে গেছে
রোদকে ভেবে রাখি আটলান্টিক রিজ
স্কাইভিউ বিলবোর্ডের ছবিগুলো নেমে আসে
কুয়াশায় গলা ডুবিয়ে রাখি ক্যাপ্টেনের নামে—
শান্তসমুদ্র রুখে দাঁড়ায় দিকভ্রান্ত আমার হয়ে
উত্তালের মতো এমন তীব্র কটাক্ষ যায় রয়ে
শখের রোদ দূরে সরে যায় প্রহর প্রহর মেপে;
নাবিক, —তীরের কলকাঠি বাতাসে কাঁপে দেখো
শহরের গম্বুজ নামে তীক্ষ্ণ—সুচের মতো বুকে
নোনতা বাতাসের হাহাকার নামখানি তার;
কেসে আয়েগা ইতনি হিম্মত, দেখো—
রোদ সরে যায়, ছায়ারাগ নামে ক্লান্ত লাগে নিরেট
এক সমুদ্রে দুইজন থাকি দুই সমুদ্র দূরে।   

ফুলের তাঁতে—শুভ্র সরকার




০১
এবং ফুলের অশেষ থেকে জীবন নেমে যাচ্ছে উদ্বেগের গহীন। যেখানে পল্লবের ভীড়ে পিঁপড়ার মৃদু যাতায়াতে— পথ পৃথিবীর মুখে বসন্তের দাগ। ততোদিনে আমাদের স্মৃতিতে শৈত্যপ্রবাহ— তাড়া খাওয়া হরিণের দৌঁড় সরণিতে সমস্ত পরাজিত জীবন।

আধখাওয়া পেয়ারায় কীটের খাদ্য দৃশ্য আমরা তবুও মেনে নিতে পারি না।

অথচ ফুলের তাঁতে বুনে চলেছি শিশুর ভাষা—

চূর্ণীকথা—চূর্ণী



যদি পারো তবে হাতের মুঠোতে আজ
ভরে দিও কিছু প্রিয় কবিতার লাইন।
ব্যথার ওপরে মলম যে সব গান,
বিদায়ের ক্ষতে ঢেলে দিও কিছু তাই।

কারো কারো মন বিষাদের কাছে জমা...
কেউ হয়ত আঘাতের কাছে ঋণী;
যারা ভালোবাসে, তারা ভালোমত জানে
প্রেম আর দয়া এক নয় কোনোদিনই।

04 February 2019

শাহিন চাষী—একগুচ্ছ কবিতা



নিঃসঙ্গ বেহাগ
সূর্যটা পাটে গেল। পাখিরা নীড়ে এলো। আযান হলো। শঙ্খ বাজলো। পথ ঝিমালো। নিশাচর ডাকলো। শিশির ঝরলো। কাছে এলো--অন্ধকার!
জোনাকি জাগলো। ওরা উড়লো। জানালায় এলো। ঘরে ঢুকলো। গায়ে বসলো। ফিরেও গেলো। চিহ্ন রইলো--শুন্যতার, মৌনতার!
তারা ফুটলো। চাঁদ তাকালো। জ্যোৎস্না নাচলো। শিউলি হাসলো। নদী গাইলো। তারা নিভলো। চাঁদ ডুবলো। বুকে জমলো--হাহাকার!
ভোর হলো। বায়ু বইলো। পাখি গাইলো। রোদ জ্বললো। পাখি উড়লো। পড়ে থাকলো--ব্যথাভার!
সজাগ অনুভব। ঘুমহীন চোখ। লোমকূপ ঘিরে--নীল কষ্ট; মৌনতা; শুন্যতা; অন্ধকার; ব্যথাভার; হাহাকার!

অরুণিমা মন্ডল দাস—দ্যা ইংলিশ টিচার




ইংলিশ টিচার
হেঁটে হেঁটে আসা আনমনা তিনতলার “ছাদ”
ইংরেজী নামক চারকোনা “তলোয়ার” দেখলেই—
মাধ্যমিকের উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ’র ডেফোডিলস কবিতাটি
চোখের সামনে ভেসে ওঠে—
সেই ফুলেদের বার বার ঘুরে বেড়ানো 
আকাশ বাতাস জুড়ে “ফুলমেলা”।
বসে থাকা, উঠে দাঁড়ানো, ঘুরে বেড়ানো 
বড্ড প্র্যাকটিক্যাল “চশমা”র শিক্ষা প্রদান
চোখের গভীরতা এতটাই বেশী—
হারিয়ে যাওয়া “প্রকাণ্ড মারিয়ানা খাত”।
বারবার বই চাপড়ানো আর মিষ্টি মিষ্টি ল্যাডিকানি ব্যবহার—
“খুব ভালো হয়েছে,খুব ভালো হয়েছে”।
সাজেশনের প্রতিটি পিঠে নিমপাতার গন্ধ
পুরোটাই চাপের কঠোর “বাস্তব”—
বাঁকা বাঁকা “টেনস” ভার্ব” সেনটেনস”র আলপনা।
দুই কানের দুইপাশ দিয়ে
“ইংলিশ” গুলি হ্যাভ” আর
“ইঙ্গ” লাগিয়ে সাদা “সাবানের ফেনা” বনে জানালা দিয়ে উড়ে চলেছে…
কিছু কিছু শব্দ কুয়াশাচ্ছন্ন
দূর থেকে “দীঘা র সমুদ্র দেখলে ঠিক যেভাবে নিজেকে বড্ড অসহায়” মনে হয়;
ঘন্টা বেজে ওঠে—
কালো কালো অক্ষরগুলো একটু ক্লান্ত 
অনেকক্ষণ আছড়ে আছড়ে“ আখের রস” বের করাতে, মাথাগুলো“ সাইলেন্স জোন”
এ পৌঁছে যায়—
 “খোলা হাসিখুশি আধা রাগি তিনতলা ছাদের ধীর গতিতে প্রত্যাবর্তন
যতটা এনার্জি আসার সময় থাকে যাওয়ার সময় তাঁর “হার্ট” যেন ক্লাশের এককোণে রেখে যায়—
কপালের কুঁচকানো ফিলিংসের ভিতরে ও বড় “হরপ্পা”র স্নানাগারে র হদিস পাওয়া যায়।

19 January 2019

গুচ্ছ কবিতা—জকিয়া এস আরা



গিয়ারটা চেপে ধরো
এবার নিজেকে সামাল দাও, সামিনা,
গিয়ারটা চেপে
  ধরো,
জীবন মানেই কী, “কানামাছি ভোঁ ভোঁ যাকে পাবি তাকে ছোও”!
অথবা জাকিয়া যাবে—লং ড্রাইভে?
লং ড্রাইভ, জাকিয়া, লং ড্রাইভ!
শিলালিপির বয়স বাড়ছে, ওজোন—স্তর ক্ষয়ে যাচ্ছে!
আমাদের বদরাগী বাবার নিশ্বাসে
 কষ্ট হচ্ছে
উফ! হাসিটা থামাও
 তো বড্ড কানে লাগছে!
সামিনা তুমি কি শমীবৃক্ষ?
যুগ যুগ ধরে একই রকম থাকবে?
দেখছো না
 সবকিছু কেমন পালটে যাচ্ছে!
মোড়ের দোকানের মতিন এখন হবু শিল্পপতি!
ব্যবসাটা ভালোই
 বুঝেছে সে!
উফ! হাসিটা থামাও তো,
জীবনের
 গিয়ারটা চেপে ধরো!

14 January 2019

গুচ্ছ কবিতা —রিকি দাশ




অদৃশ্য স্রোত
শাড়ির আঁচলে লুকিয়ে রেখেছি প্রশমিত শামুক—মায়া,
নবজাতকের কান্নার মতন ছিটকে আসা ভ্রুণ হাতে;
একবৃক্ষ আষাঢ়ী নকশার বেণী খুলে খুলে হতে চেয়েছিলাম গৃহত্যাগী!
 
পাছে জড়িয়ে পড়ি দু-হাত ভর্তি তেজস্ক্রিয় চুম্বনে—
তোমার চোখের গভীরে উষ্ণ নিষিদ্ধ যে নদী;
তার শিরায় জু্ঁইফুলের সঙ্গম ঢেলে সুধার মতন পান করেছি কবিতা!

পৃথিবীর হরিৎ পেন্সিলে ভেসে উঠে এক একটি জিয়নকাঠি—
বৈকালিক দেয়ালঘরে তুলসীতলায় ধুপ—ধুনোর খেয়ালে;
ঠাঙিয়েছি অস্তিত্বের মোহমুগ্ধ চৌকাঠ!

হারিয়েছি,অতলে গিয়েছি,দেখেছি; দুপুরের অসুখে বুঁদ হয়ে থাকা স্তব্ধতা—
হেমন্ত আকাশের কোন গোধূলি গন্ধে গৃহত্যাগী হব বলে বয়ে যাচ্ছি মানবীয় স্রোতে...!


চূর্ণী—উপহার



তুমি বলেছিলে বেশী কথা বলতে নেই।
কথা ফুরিয়ে গেলে সবকিছু বড় অসহ্য হয়ে ওঠে।
বলেছিলে—
এত প্রশ্ন কোরো না। করতে নেই।
আমি এমনিতেই ভীতু... এতসব ভারী ভারী কথায়,
গুটিয়ে গেছি আরও...
চুপচাপ রয়ে গেছি। প্রাচীন কোনো অসুখের মত।
মুখ তুলে চাইলেই
কড়া ওষুধ খেয়ে,
থামিয়ে দিতে পারো।

13 January 2019

গুচ্ছ কবিতা —সৈয়দ আহসান কবীর



চুপকথায় ডুবে আছে সময়
এভাবে কীভাবে চলে? চুপকথায় ডুব আছে সময়
ক্লান্ত হয়ে পড়ে আছে দিন, দুপুর; সাঁঝ—রাত—ভোর
শব্দহীন হয়ে আছে আমার যতো কবিতারা
গল্প বলে না কথা আর আগের মতোন।

07 January 2019

গুচ্ছ কবিতা— শাহিন চাষী



কালের পাণ্ডুলিপি
দিনের গল্প লিখতে গেলেই।
রাতের অক্ষর ভিড় করে দরোজায়;
অমানিশার উদরে হাসি?
অশ্রুর আলপনা চোখের পাতায়।

মাঠের বুকে—
রূঢ় মনে ফাঁদ পাতে নিষ্ঠুর মহাজন।
রক্তাক্ত শালিক,
নিহত সারস—বক;
হাড়গিলে, পানকৌড়ি শব্দহীন,
পৃথিবীর বুকে কেউ যেন নয় আপন!

06 December 2018

নির্বাচনী ফলাফল — আকিব শিকদার



দাদা বাঘ মার্কায় দাঁড়িয়ে ছিলেন।
গ্রামের নির্বাচন, মেম্বারী পদ। পাশ তিনি
করতে পারেননি; তবু নাম রটে গেলো বাঘ।
প্রতাপ বুঝাতে নিজের জমিতে করেছিলেন
একটি বাজার স্থাপন, সে বাজার আজও
বাঘের বাজার নামে খ্যাত।

10 July 2018

গুচ্ছ কবিতা — রিকি দাশ


 

দিগন্ত
ছুঁয়ে দেখার লোভে!
চর জেগে উঠেছে বিস্তৃত সব মেঘে,
খসে পড়ছে অ্যাংলোস্যাক্সন ইতিহাস
পার করে আসা সহস্র ভূগোল
ফেলে চলেছি এতকালের গুছানো সব সন্ধ্যা, মুগ্ধ নগর।

কোন শব্দ নেই থমথমে নিমতলার মতন নিঃসাড় শহরের কর্পোরেট গলি ছেড়ে;
হেঁটে চলেছি ক্রমশ গ্যালাক্সি জুড়ে।
কবিতার ক্ষেতে বুনে চলা রসায়ন চুষে শরীরে রাঙিয়ে নিবো যাযাবরের ব্যাধি।

উষ্ণ ঠোঁটে আলিঙ্গন করে শাণিত সব সকাল, একদিন যেন এক ঋদ্ধ আমি!
চিবুকের বা-পাশে রবীন্দ্রনাথ জপ-তপে ডানা মেলে ইট-কাঠের তান্ডব নীলকমলে।
গতির তীব্রতায় ছিটকে যাবে ভিসুভিয়াস।
ভূ-খন্ড ভেসে উঠবে পৃথিবীর লাভায়। ঠাই দাঁড়িয়ে শিল্প ছোঁয়ার তাড়নায় হেঁটে যাবো অদৃশ্যে।
দু-চোখ ভরে দিগন্ত ছোঁয়ার লোভে...

09 June 2018

গুচ্ছ কবিতা—সম্পা পাল



কাল্পনিক পৃথিবী
সামনে একটা কাল্পনিক লম্বা রাস্তা
সেখানে অনেক নির্জনতা, আর ধুপছায়া।

এরপরে আরও একটা রাস্তা সেটাও কাল্পনিক
রাস্তার ওপাশে একটা দরজা সেটাও কাল্পনিক।
দরজার ওপাশে কাল্পনিক পৃথিবী
কাল্পনিক পৃথিবীতে একটা কাল্পনিক চরিত্র।

20 May 2018

গুচ্ছ কবিতা- অনুপ চক্রবর্তী


একাকিত্ব
এইতো ক'দিন আগেও একা ভালো ছিলাম ।
নিঃসঙ্গ জীবন উচ্ছল ঝলমল।
ছিলো প্রদীপের মতো জ্বলজ্বল।
একাকিত্বের জীবনে তোমাকে পেয়ে ধন্য ছিলাম।
তুমি সেই একজন; যার সাথে-
দেহে নয় আত্মার সম্পর্ক গড়ে ছিলাম।
একদিন হঠাৎ ধূমকেতুর মতো হারিয়ে গেলে..
নীরব আঁধারে  আমায় ধোঁকা দিলে।
কান্নার সাগরে ভাসিয়ে নিলে,
চলে গেলে না বলে- না ফেরার দেশে।
আমি আবার সেই একাই হয়ে গেলাম,
তবে নয় আগের ন্যায় একা নিঃসঙ্গ।
একাকীত্ব ই জীবনের আলো, হোক না অমাবস্যার ন্যায় কালো।


03 May 2018

একগুচ্ছ কবিতা—স্নিগ্ধা বাউল



গন্ধবণিক
ঘ্রাণ কিছু পেতাম পিতার ধূপের শরীরে, হিন্দুয়ানীর শৈশবে;
কাটাকুটির ঘুড়িতে, রঙিন ফিতেতে, মায়ের হাতে গরম ভাতে।
গন্ধ অন্ধ প্রেমিক, মুদ্রার গন্ধ ক্ষণিক ক্ষণিক।
মেয়েলি গন্ধ সপ্তাহ জুড়ে, আঁশটে গন্ধ নিজের ঘরে।
ত্রাতাদের গন্ধে ভুরভুর সমাজ
একই গন্ধে মাছের কারবার।


গুচ্ছ কবিতা—শফিক আহমেদ




পদচ্ছাপ
যেখানে যেখানে পড়েছিল পদচ্ছাপ
এই পিচ্ছিল ধাঁধাঁময় পথে
আর যত পথিক ছিল আনমনা
পরিচয় লুকিয়ে রাখতো কৌশলে
সেইসব পদচ্ছাপের পরে আরও অনেক মানুষ নিশ্চয়ই এসেছিল এগিয়ে
মনে রাখার প্রত্যয় নিয়ে আমিও কি হেঁটেছিলাম সানন্দে?
তবে আজও কেন খুঁজছি সেই সে পথের মানবীকণ্ঠ
আর গেরস্থময় গোটা আঙিনায়
ছড়িয়ে রেখে বিচালি
তার সেই প্রথম তমোহর হাসি!
অজ্ঞাত গ্রাম নয় যদিও অজ্ঞাত
তার ঠিকানারাশি
আমি কী চিনি?সেই দৃশ্যত নিগূঢ় জটিল রহস্যের ফাগুনভরা দুপুরের
প্রায় তামাদি হয়ে যাওয়া বালিকার
ঘুঙুরের প্রথম তন্দ্রার ঘোরটি?

একগুচ্ছ কবিতা—অনিরুদ্ধ সৌরভ



বর্ণহীন
ধূসর দেয়াল জুড়ে কে আঁকে বর্ণহীন চিত্র?
বুক- পিঠ জাপটে ধরেছে দীঘল কালো রাত
বুকের মাঝ বরাবর ভেদ করে যাচ্ছে অন্ধকার।
পড়ে আছি নিঃস্তব্ধ যেন ডায়নোসারের ফসিল!
জলের স্রোতে ভেসেছে অহঙ্কার—আমিত্ব,
কালের ভাঙনে গেছে সংসার—সুখের বসত ভিটা।
টিনের চুলো, পোড়া মাটির পাতিল, পাতার থালা...
বাঁধের ওপর সংসার।
কাকের চোখের মতো কালো রাত জড়িয়ে ধরে
তৃষ্ণার্ত শরীর, বিষাক্ত চুমু আঁকে পরম মমতায়!

সারা রাত কেটেছে সংশয়ে—আলোহীন,
জীবনের স্বাদ যেন বিষাক্ত, রূপ বর্ণহীন।